/ Beauty: Care /

পাঁচ মিনিট প্রতিদিন

পাঁচ মিনিট প্রতিদিন
Hebiro Stuff on June 2, 2017 - 2:55 pm » CATEGORY: Beauty: Care

প্রতিদিন মাত্র পাঁচ মিনিট আপনার ত্বকে এনে দিতে পারে সতেজ ও প্রাণবন্ত ভাব। শুষ্কতার এখন সময়। ত্বকে ঘুরেফিরে তার ছাপ পড়েই যায়। রাতে ঘুমানোর আগে ঘরোয়া উপকরণ ও অল্প সময় ব্যয় করেই ঈদের আগ পর্যন্ত থাকতে পারেন সতেজ ও প্রাণবন্ত। সৌন্দর্যচর্চার বিশেষ রুটিন বানানো যায় মৌসুমি ফল, ঘরে থাকা কিছু ভেষজ উপাদান, সবজি বা শস্য দিয়েই।

ফলের ফলাফল

বাজার ছেয়ে আছে তরমুজে। তরমুজের রসের সঙ্গে দুই ফোঁটা মধু মেখে মালিশ করতে পারেন ত্বকের শুষ্কতা কাটাতে। তৈলাক্ত ত্বক হলে মধুর বদলে নেবেন লেবুর রস। আরেকটি ফল বাঙ্গি। ত্বক উজ্জ্বল করতে এবং আর্দ্রতা বাড়াতে জুড়ি নেই এর। ত্বকের তেল কাটাতে বাঙ্গির পেস্টের সঙ্গে টক দই মিশিয়ে নিন। আর সাধারণ বা শুষ্ক ত্বকের জন্যে দুধ আর মধুই যথেষ্ট।

শুষ্ক ত্বকে কমলা, লেবু বা মাল্টা এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। তাঁরা বেছে নিতে পারেন ডাব। ডাবের পানি সব ত্বকের জন্যই জাদুকরি ফল দেয়। যেকোনো ধরনের প্যাকে পানি বা গোলাপ জলের চেয়ে বেশি কাজে দেয় ডাবের পানি। এর সঙ্গে বেসন মেশালেই অসাধারণ ক্লিনজার তৈরি হয়ে যায়। আর কচি শাঁসের সঙ্গে কাঁচা দুধ আর মধু মেশানো প্যাক অ্যান্টি এজিং মাস্ক হিসেবে বিখ্যাত। এটি ত্বকে বয়সের ছাপ প্রতিরোধ করে, বলিরেখা কমায়।

ভেষজ ও মসলার ম্যাজিক

ভাজাপোড়া খাবারের বাহুল্যে ব্রণ হতেই পারে। ঘুমানোর আগে মেথি বা লং পেস্ট ফোঁটায় ফোঁটায় ব্রণে লাগিয়ে রাখতে হবে মিনিট পনেরো। সংক্রমণের আশঙ্কা কাটবে রাতারাতি। মুখে কালশিটে দাগ পড়ে গেলে বা মেছতা হলে লাগবে জয়ফল ও জয়ত্রী। শক্ত খোসাটা ভিজিয়ে রেখে পিষে নিন মিহি করে। তাতে একটু মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে প্রতিদিন ব্যবহার করতে পারবেন। ধীরে ধীরে মিলিয়ে যাবে মেছতা। আর সানবার্নের কালচে ছোপ কমিয়ে আনবে পুদিনা পাতার পেস্ট। সঙ্গে মিশিয়ে নেবেন টক দই। ক্লিনজার হিসেবেও এটি তুলনাহীন।

ডাল আছে, সবজিও

সন্ধ্যার পরে পাতলা আলুর স্লাইস গালে, চোখে দিয়ে শুয়ে থাকলে যে প্রশান্তি হয়, তা দ্বিগুণ হবে যদি আলুর পেস্টে মিশিয়ে নিতে পারেন টক দই ও মধু। টমেটো ও গাজরের রসের বিটা ক্যারোটিন মুখের সজীব ভাব ফিরিয়ে আনতে রাতারাতি কাজ করবে। আর ক্লিনজার হিসেবে শসার রস ও মধুর মিশ্রণের গুণের কথা তো জানেনই সবাই।

কিছু জরুরি টিপস

ত্বকের যত্ন তখনই ফলপ্রসু, যখন তা আসবে ভেতর থেকে। রমজান মাসে ইফতারের সময় খাবার পছন্দ করতে হবে কৌশলে। এমনটাই বলছিলেন পুষ্টিবিদ আখতারুননাহার আলো। তাঁর পরামর্শগুলোও দেখে নিন এক পলকে—
* প্রতিদিন আলাদা শরবত খাওয়া ভালো। কমলা, কাঁচা আম বা লেবুর মতো মৌসুমি ফলগুলো রাখতে পারেন।
* টক-মিষ্টি ফল মিশিয়ে তৈরি সালাদ রুচি বাড়ায়। পুষ্টিও নিশ্চিত করে।
* ইফতারে আদা ও পুদিনাপাতা কুচি মিশিয়ে কাঁচা ছোলা খেলে গ্যাস হবে না আর।
* যতটুকু প্রয়োজন ঠিক ততটুকু তেলে রান্না ও ভাজি করুন। পোড়া তেলের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ে ত্বক ও হজম প্রক্রিয়ার ওপরই।
* রাতে এক কাপ দুধ বা রায়তা খাওয়ার চেষ্টা করুন। দুটিই ত্বক ভালো রাখতে কাজ করে।
* শরীরে মিনারেল জোগাতে খেজুর খুব ভালো উত্স। প্রতিদিন দু-একটা খেজুর শরীরকে সতেজ রাখবে সারা দিন।
* যেকোনো বেলায় একটা সবজির উপকরণ থাকা চাই। ডাল দিয়ে রান্না করা শাক বা সবজিও পুষ্টি ও পানির ভালো উত্স।
* হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক মানেই সুস্থ ত্বক। মাসজুড়ে যা-ই খাবেন, খেয়াল রাখবেন যেন হজমে ব্যাঘাত না ঘটে। ত্বক নষ্ট হতে শুরু করার প্রধান কারণই তো এটি।

219 views

0 POST COMMENT

Send Us A Message Here

Your email address will not be published. Required fields are marked *

3 × two =