/ Events: Exhibitions /

আন্তঃজাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের বিয়ের ছবি

আন্তঃজাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের বিয়ের ছবি
Hebiro Stuff on September 18, 2016 - 2:24 pm » CATEGORY: Events: Exhibitions

বিয়ের ছবি তুলে এশিয়ার শীর্ষ তিন আলোকচিত্রীদের মধ্যে জায়গা করে নিলেন বাংলাদেশি তরুণ যোবায়ের হোসেন শুভ। সম্প্রতি মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত হলো ওয়েডিং ফটোগ্রাফির উপর এশিয়ার সবচেয়ে বড় সম্মেলন এবং আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা। ওয়েডিং অ্যান্ড পোট্রেইট ফটোগ্রাফারস অফ এশিয়ার [ডাব্লিউপিপিএ] আয়োজনে এই সম্মেলনে ৫ম আসরে অংশগ্রহণ করেন সিঙ্গাপুর, চায়না, মালয়েশিয়া, তাইওয়ান, ফিলিপিন, কম্বোডিয়া, ইন্ডিয়া ও বাংলাদেশের শতাধিক আলোকচিত্রী। বাংলাদেশ থেকে এই প্রতিযোগীতায় অংশ নেন ড্রিমঊইভারের কর্ণধার ও প্রধান আলোকচিত্রী যোবায়ের হোসেন শুভ, নাফিস ফুয়াদ শুভ, মাজহারুল ইসলাম রাফি এবং সাফায়েত উল্লাহ মাহিদ, ওয়েডিংস ইঙ্কের কর্ণধার রিফাত শাখাওয়াত হোসেন, কে. নাসিফ ফটোগ্রাফির নাসিফ, রংপুর থেকে মোমেনটো ওয়েডিংয়ের রাশিদুল বারি জিম। সর্বমোট ১২টি ক্যাটাগরিতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে যোবায়ের শুভ মোট ৮টি ক্যাটাগরিতে অংশ নেন। ৬টি ক্যাটাগরিতে তিনি পুরস্কার পান। এর মধ্যে রয়েছে ৩টি ক্যাটাগরিতে প্রথম পুরস্কার, ২টি ক্যাটাগরিতে দ্বিতীয় পুরস্কার এবং ১টি ক্যাটাগরিতে তৃতীয় পুরষ্কার। আর এসব অর্জনই তাকে এনে দেয় শীর্ষ তিনের স্থান। প্রতিটি ছবিতে তার গড় নম্বর ছিল নব্বইয়ের অধিক। সর্বমোট নম্বরের ভিত্তিতে প্রথম পুরস্কার পান চীনের লেনো উই। সেই সময়ের অনুভতি সম্পর্কে যোবায়ের শুভ বলেন, প্রতিবার নিজেদের নামের সাথে যখন দেশের নাম উচ্চারিত হচ্ছিল। উপস্থিত দুই শতাধিক আলোকচিত্রী করতালি দিয়ে আমাদের অভ্যর্থনা জানাচ্ছিল। তখন বাঙালি হিসেবে নিজেদের পরিচয় দিতে খুবই গর্ববোধ করছিলাম। আর যখন শীর্ষ তিনে নিজের নামটা শুনলাম তখন নিজেকে আর ধরে রাখতে পারলাম না। আনন্দের অশ্রæসিক্ত হয়েই পুরষ্কার গ্রহন করতে গেলাম। নামকরা এই বিচারক যারা আমার অনুপ্রেরনা ছিলেন তাদের কাছ থেকে পুরস্কার নিতে পেরে আমি সত্যিই গর্বিত। অন্যদিকে নাফিস ফুয়াদ শুভ একটি প্রথম পুরস্কার ও একটি তৃতীয় পুরস্কার পান এবং গড় নাম্বারের ভিত্তিতে এশিয়ার শীর্ষ দশ আলোকচিত্রীর তালিকায় স্থান করে নেন। তিনি জানান, এই বছর প্রায় পাচ শতাধিক ছবি জমা পড়ে। প্রাথমিক বাছাই পর্ব শেষে দেড়শত ছবি বিচারকদের লাইভ জাজমেন্ট এর জন্য আনা হয়। পাঁচজন বিচারকের পৃথক নাম্বারের ভিত্তিতে স্থান নির্ধারন করা হয়। মাযহারুল ইসলাম রাফি একটি দ্বিতীয় পুরস্কার, রিফাত সাখায়াত হোসেন একটি তৃতীয় পুরস্কার ও সাফায়েত উল্লাহ মাহিদ একটি তৃতীয় পুরস্কার অর্জন করেন।

বিচারকদের মধ্যে ছিলেন সিঙ্গাপুরের মাস্টার ফটোগ্রাফার ম্যাথিউ টান, এশিয়ার একমাত্র ডাবল মারস্টারস ও ফুজিফিল্ম ব্রান্ড অ্যাম্বাসেডর ফিলিপাইনের লিতো সি, ডিজিটাল ক্যামেরা ম্যাগাজিনের এডিটর ইন চিফ আর্থার চ্যান, মালয়শিয়ার বিখ্যাত মাস্টার ফটোগ্রাফার রজার টান ও আলভিন লিওং। তিনদিন ব্যাপী এই সম্মেলনের স্পন্সর ছিল নামকরা লেন্স নিরমাতা প্রতিষ্ঠান ট্যামরন এবং প্রফেসনাল ফটো এক্সেসরিস নিরমাতা প্রতিষ্ঠান ফটিক্স।

40 views

0 POST COMMENT

Send Us A Message Here

Your email address will not be published. Required fields are marked *

four − one =